Translate

রবিবার, ৩ মে, ২০১৫

* সেন্ট ভ্যালেন্টাইন: ভালোবাসা দিবস'র জনক *

ভালোবাসা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, শুধুমাত্র অনুভূতি দিয়ে প্রকাশ করতে হয়. এটি একটি মানবিক অনুভূতি ও আবেগকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা. এর রং-রূপ-গন্ধ কিছুই নেই আছে শুধু অনুভূতি. বিশেষ কোন মানুষের জন্য ভালোবাসা স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয়তো এমন মুহূর্তকেই স্মরণ করে লিখেছিলেন, 'দোহাই তোদের, এতটুকু চুপ কর / ভালোবাসিবারে, দে মোরে অবসর.' জীবজগতের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক হল ভালোবাসা. যার শক্তিতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত জয় করা যায়. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি উচ্চরিত শব্দগুলোর মধ্যে একটি হলো 'ভালোবাসা'. একে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে একে ভাগ করা যায়. যেমন: ধর্মীয় ভালোবাসা, বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা প্রভৃতি. পৃথিবীর প্রত্যেকটি প্রাণীর মধ্যে ভালোবাসা বিদ্যমান. ভালোবাসায় যৌনকামনা বা শারীরিক লিপ্সা একটা গৌণ বিষয়.

এখানে মানবিক আবেগটাই বেশি গুরুত্ব বহন করে. আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ প্রায় সময়ই খুব আনন্দদায়ক হতে পারে এমনকি কোন কাজ বা খাদ্যের প্রতিও. আর এই অতি আনন্দদায়ক অনুভূতিই হলো ভালোবাসা. ভালোবাসা শুধুই প্রেমিক আর প্রেমিকার জন্য নয়. মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, প্রিয় সন্তান, পরিবার, সমাজ এমনকি দেশের জন্যও ভালোবাসা. তবে আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়, বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল অনুভূতি ভাগ করা, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায় না. সেন্ট ভ্যালেন্টাইন স ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস (সংক্ষেপে ভ্যালেন্টাইন'স ডে নামে পরিচিত) একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা 14 ফেব্রুয়ারি; প্রেম ও অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত করা হয়. দিবসটিকে ঘিরে বিশ্বব্যাপি রয়েছে নানা আয়োজন. এ দিনে প্রিয়জন তার ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চিঠি, কার্ড, গহনা প্রভৃতি উপহার প্রদান করার মাধ্যমে দিনটি উদ্ যাপন করে থাকে. খ্রিস্টানজগতে পাদ্রী-সাধু-সন্তদের কাজের স্মরণে কিছু জনপ্রিয় দিবস রয়েছে. যেমন: 17 মার্চ- সেন্ট প যাট্রিক ডে, ২3 এপ্রিল- সেন্ট জজ ডে, ২4 আগস্ট- সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, 1 নভেম্বর- আল সেইন্টম ডে, 11 নভেম্বর- সেন্ট মার্টিন ডে, 30 নভেম্বর- সেন্ট এন্ড্রু ডে প্রভৃতি. পরবর্তীতে খ্রিস্টিয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় 1776 সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়. এক সময় ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে. এছাড়া হাঙ্গেরি, অস্ট্রিয়া ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময় এ দিবস নিয়ে বির্তক সৃষ্টি হয়. দেশে দেশে ভালোবাসা দিবস এ উৎসব বর্তমানে সারাবিশ্বে মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়. ইউরোপের সব দেশেই এ দিবস পালন করা হয়ে থাকে. মার্কিনিদের মধ্যে ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের হার বেশি. জরিপে দেখা গেছে, চার মার্কিনির মধ্যে তিনজনই দিবসটি পালন করে. আমেরিকায় এ দিনে কোটি কার্ড 16, 13 কোটি গোলাপ বিনিময় হয়. যুক্তরাজ্যে আনুমানিক মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় 100 কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট এবং অন্যান্য উপহারসামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করে; এছাড়া প্রায় ২.5 কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়. উনিশ শতকেই উত্তর আমেরিকায় ভ্যালেন্টাইন'স ডে পালন শুরু হয় ব্রিটিশ অভিবাসীদের মাধ্যমে. ব্যাপক হারে ভ্যালেন্টাইন কার্ড বিনিময় শুরু 1847 সালে ম্যাসাসুয়েটসের অরকেস্টারে. চীনে ভালোবাসা প্রকাশের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে. ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের আগে তারা বছরের দুই দিন পালন করতো ভালোবাসা দিবস. এখন চীনে ব্যাপক হারে দিবসটি পালিত হয়. পশ্চিমা ধাঁচে 14 ফেব্রুয়ারিই তারা ভালোবাসা দিবস পালন করে. ভারতেও তরুণ-তরুণীরা এ দিবস পালন করে উৎসবের আমেজে. আমাদের দেশে বছরের অন্যান্য অসংখ্য দিবসের মত বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন'স ডে পালন হচ্ছে বিগত কয়েক বছর ধরে. ইন্টারনেটের এই যুগে পোস্ট কার্ডের পরিবর্তে ই-কার্ডের ব্যবহার আর এসএমএস / এমএসএস বা ই-মেইল. ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে বিভিন্ন ওয়েব সাইট ভালবেসে ভালোভাবে সাজানো হয়. এসব সাইট থেকে যেমন ই-কার্ড পাঠানো যায় তেমনি ভালোবাসার এসএমএস, কবিতা ইত্যাদি সংগ্রহ করা যায়. 14 ফেব্রুয়ারি সারা দিন মুঠোফোন, ফেইসবুক ও টুইটারে শুভেচ্ছা বিনিময় চলবে. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, চারুকলা, রবীন্দ্রসরোবর, সংসদ ভবন চত্বর, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা বটমূল, চন্দ্রিমা উদ্যান মুখর থাকবে সারা দিন. আশা করি সবারই ভালোবাসা দিবস কাটবে আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর অফুরন্ত ভালোবাসায়.

ভালোবাসা দিবসে প্রপোজে এগিয়ে নারীরা! *

14 ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন'স ডে বা 'ভালোবাসা দিবস' হিসেবে উদযাপন বাংলাদেশে খুব বেশি দিন শুরু হয়নি. বাংলাদেশের পুরুষরা বেশিরভাগ সময়ই নারীকে প্রপোজ করে থাকে. কারণ আমাদের নারীরা অনেকটাই অন্তর্মুখী. এদিকে সম্প্রতি ব্রিটেনের এক জরিপে দেখা গেছে, সেদেশে 'ভালোবাসা দিবসে' প্রপোজে পুরুষদের চেয়ে নারীরাই এগিয়ে. লন্ডনের হাই স্ট্রিট জিওয়েলার এইচ স্যামুয়েলের ওই গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি 10 জন নারীর মধ্যে 6 জনই তাদের পছন্দের পুরুষকে প্রেম নিবেদনের জন্য 14 ফেব্রুয়ারি 'ভালোবাসা দিবস'কেই বেছে নেন.
 এক্ষেত্রে পুরুষদের হার 10 জনে 4 জন জি নিউজ ও মেইল অনলাইন জানিয়েছে, ভালোবাসা দিবসে রোমান্টিক পরিবেশ আর খাবার খেতে খেতে কাউকে প্রেম নিবেদন করাটা অত্যন্ত রোমঞ্চকর ব্রিটিশ নারীদের কাছে. তবে পুরুষরা মনে করেন, এই দিনে বিয়ের প্রস্তাবে সবচেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া যায়. গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রিটিশরা প্রতিদিনের মেলামেশা, ছুটি কাটানোর স্থানকে প্রেম নিবেদনের জন্য বেছে নেন. এজন্য অফিসকে পছন্দ করে না কেউই. এইচ স্যামুয়েলের একজন মুখপাত্র জানান, প্রতিটি যুগল প্রেম নিবেদনের জন্য আলাদা করে ভাবেন. 1 হাজার জনের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে একটি নতুন ট্রেন্ড খুঁজে পেয়েছেন তারা. যেখানে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরাই প্রেম নিবেদনে এগিয়ে. তিনি জানান, প্রেম নিবেদনে ব্রিটেনের একুশ শতকের যুগলদের পুরনো দিনের ধ্যান-ধারণা আর পছন্দ নয়. মেয়েদের সামনে ছেলেদের হাটু গেড়ে গোলাপ হাতে প্রেম নিবেদনের দিন আর নেই. বরং এই ভূমিকায় এখন নারীরাই এগিয়ে. এই ট্রেন্ড আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বলেও জানান তিনি.

সম্পর্কে নারীর যে 10 টি ভুল পুরুষকে দূরে ঠেলে দেয়

ভালোবাসার সম্পর্কগুলো আজকাল যেন অনেক বেশি ঠুনকো হয়ে গিয়েছে. হুটহাট সম্পর্ক ভাঙা গড়ার খেলা দেখা যায় আজকাল অনেক বেশি. অনেক সময় সম্পর্ক ভাঙার পেছনে যুক্তিসংগত কারণ থাকে, আবার অনেক ক্ষেত্রে থাকে না. তবে থাকুক বা না থাকুক, সম্পর্ক কিন্তু ঠিকই ভেঙে যায়. সম্পর্ক ভাঙার পেছনের মূল কারণ হচ্ছে দুজনের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হওয়া. যার ফলে আকর্ষণ হারিয়ে যায় পরস্পরের প্রতি, কমতে থাকে মনের টান. এভাবেই ভেঙে যায় সম্পর্ক. ভুল থাকে নারী ও পুরুষ উভয়েরই. আজ নারীরা জেনে নিন নারীদের কিছু ভুলের কথা. সম্পর্কে নারীদের করা যেসব ভুল ভালোবাসার পুরুষটিকে ঠেলে দেয় অনেক দূরে.

 (1) সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীর ওপর নির্ভর করা CHAP .মন্থর যদি সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীর প্রতি নির্ভরশীল থাকেন তখন আপনার করা সঙ্গী আপনার করা প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলবেন. কারণ পুরুষেরা এমন নারী খুঁজে থাকেন যিনি প্রয়োজনে তাকে সাপোর্ট দিতে পারেন.

(২) কিছু হলেই কথা বলা বন্ধ করে দেয়া কথা বলে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব. যদি ভুল বোঝাবোঝি হয় তাহলে আপনার চুপ করে থাকা আপনার সঙ্গী একেবারেই পছন্দ করবেন না. তাই এই কাজটি না করে কথা বলে সমস্যার সমাধান করুন.

 (3) সঙ্গীকে পরিবর্তন বেশীরভাগ চাওয়া আপনার করা যেমন নিজস্বতা নির্দেশ না, তেমনই রয়েছে আপনার সঙ্গীর. তাকে পরিবর্তন করতে চাওয়া তার নিজস্বতাকে আঘাত করা. এতে করে তিনি আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যাবেন. তাই এই ভুলটি করবেন না.

 (4) সঙ্গীর কাজের প্রশংসা বাসসের করা নারীদের বিমূর্ত গুণ সত্যিই .এই জিনিসটি অনেক বেশি দেখা যায়. সঙ্গীর কাছ থেকে কোনো উপহার পেলেও তা পছন্দ না হলে নাক মুখ কুঁচকে বসে থাকেন. এই কাজটি একেবারেই করবেন না. আপনার সঙ্গী আপনাকে ভালোবাসেন বলেই আপনার জন্য তার এতো কেয়ার. এই কেয়ারের মুল্য দিন. তার কাজের প্রশংসা করুন.

(5) অনেক বেশি ন্যাকামি করা ন্যাকা মেয়েদের ছেলেরা বেশ পছন্দ করেলেও অতিরিক্ত ন্যকামি একেবারেই পছন্দ করেন বাসসের ছেলেরা. আপনার সব সময়ের ন্যাকা ভাব তাকে দূরে ঠেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট. তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন.

(6) সঙ্গীকে বেঁধে রাখার চেষ্টা সঙ্গীকে বেঁধে রাখার চেষ্টা আরেকটি ভুল এবং কাজ. তিনি আপনাকে ভালোবাসেন এই বিশ্বাস তার ওপর রাখুন. সব সময় বেঁধে রাখতে চাইলে তিনি বিরক্ত হবে. এর থেকেই সম্পর্কে সৃষ্টি হবে দূরত্ব.

(7) ফর্ম্যাটিং তুচ্ছ ভাবতে থাকা অনেক নারী রয়েছেন ফর্ম্যাটিং তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে থাকেন. কিন্তু মনে রাখবেন আপনার সঙ্গী আপনার সাথে সে ধরণের ব্যবহারই করবেন যেমনটা আপনি নিজের সাথে করছেন. সুতরাং, সাবধান.

(8) অযথা সন্দেহ করা ভালোবাসা পুরোপুরি বিশ্বাসের ওপর টিকে থাকে. আপনি যদি সঙ্গীকে অযথা সন্দেহ করেন তবে এখানে আপনাদের ভালোবাসার অপমান. এতে করে আপনার সঙ্গী আপনার ওপর আস্থা হারাবেন. এতে করে তিনি দূরে সরে যাবেন আপনার কাছ থেকে.

 (9) সঙ্গীর কাজে হস্তক্ষেপ করা সব সময় আপনার করা সঙ্গীর কাজে হস্তক্ষেপ বেশীরভাগ যাবেন বাসসের. আপনার সঙ্গীর আপনি ছাড়াও নিজস্ব একটি পৃথিবী রয়েছে. সেখানে খুব বেশি হস্তক্ষেপ করলে তিনি অবশ্যই বিরক্তিবোধ করবেন.

(10) হুট করেই সম্পর্ক ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়া হুটহাট সম্পর্ক ভেঙে ফেলার হুমকি দিলে আপনার করা সঙ্গী আপনার করা ওপর আস্থা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলবেন. সেই সাথে ধীরে ধীরে হারাবেন আকর্ষণ. ফলাফল সম্পর্কে ভাঙন. তাই এই ভুলটি করবেন না.

কি ভাবে বুঝবেন যে কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে !!!!!!!!!!!!!!!!

আপনি অতি confident হয়ে তাকে প্রপোজ করে বসলেন যার ফল হলো  সুন্দর  একটা গোলগাল মুরগীর আন্ডার মতো  চমতকার ছ্যাকা!!!!!! আপনি একটা মদন হয়ে গেলেন।আর এরপর হাতে তুলে নিলেন মদের বোতল অথবা  গাজার ডিব্বা। হয়ে গেলেন যেন নায়ক ওমর সানি!!! আসলে এসব হাবভাব দেখেই নিশ্চিত  করে বলা যায়না যে কোন মেয়ে আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। সে আপনার কাছে এত ঘেষাঘেষী করে ,তার মানে হয়ত এই যে  সে আপনাকে পুরুষ মানুষ হিসাবে ধরেই না।আপনার জন্য তার মধ্যে কোন feelingই নাই। তারকাছে নারকেল গাছও যা আপনিও তা। আর আপনি কি.....না কি ভাবতেছেন আর কল্পনার ছিনেমায় নায়ক হয়ে তার সাথে নৃত্য  করছেন। আসল কথা হল এইঃ যে মেয়ে আপনার প্রেমে পড়বে সে আপনার কাছে আসার সাহসই পাবেনা। আপনার নামটা উচ্চারণ করাও তার জন্য অনেক কঠিন একটা কাজ। আপনার নামটা মনে আসলেই কেমন যেন একটা লজ্জা পাবে। এমনকি তার মোবাইলেও সে আপনার নাম পুরোটা সেভ করবেনা। হয়ত a,b,c,d নামে সেভ করে রাখবে। আপনার নাম্বার ডায়াল কর‌তে গেলে তার হাত কাঁপবে। আপনার সামনে আসলে বুকের ভেতর দুরুদুরু  কাঁপুনি উঠবে।কথা এলেমেলে হয়ে যাবে। সে কিছুতেই স্বাভাবিক থাকতে পারবেনা।অত্যান্ত নার্ভাস হয়ে যাবে।সে আপনাকে খুব ভয়ও পাবে। সে দুনিয়ার সবার নামই easily উচ্চারণ করতে পারবে কিন্তু আপনার নামটা এলেই তার কি যেন হয়ে যায়। কেউ তার সামনে আপনার কথা বললেই সে কলম কামড়াতে  শুরু করবে। দুই গাল লাল হয়ে যাবে। আসলে এটা বোঝা খুবই কঠিন কাজ যে কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কারণ বেশীর ভাগ ব্যাপারই ঘটছে আপনার অগেচরে। সবচয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে ,যাকে আপনি অনেক দিন ধরে সন্দেহ করে আসছেন আসলে তার মধ্যে আপনার জন্য কিছুই নেই। অথচ যাকে আপনি জীবনে কোনদিনই সন্দেহ করেননি সেই হ‌য়‌ত আপনাকে অনেক ভালোবাসে। এজন্য কারও উদার হয়ে মেশাকে সবসময়  সন্দেহের চোখে দেখা ঠিক না। সে আপনাকে বন্ধু হিসেবেও ভালোবাসতে পারে। এমনকি ভাই হিসাবেও দেখতে পারে। আর আপনি হয়ত তাকে নিয়ে কি...... সব ভাবছেন!!!  পরে যখন আপনি তাকে প্রপোজ করলেন সে বলল, "আমিতো তোমাকে সবসময়  বন্ধুই ভেবেছি/ভাইয়ের মতোই দেখেছি" । নিজেকে তখন আপনার কাছে কতটা ছোট মনে হবে????লজ্জায়  হয়ত মরে যেতে  ইচ্ছা করবে। উপরে আমি যে লক্ষণগুলোর কথা বলে‌ছি তা সবসময়  ঠিক নাও হতে পারে। ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি সে আপনার খুব বেশী ক্লোজ হয়। তাহলে আপনার উপর তার attraction এর চেয়ে ভালোবাসা বেশী থাকবে।তখন ওই ব্যাপারগুলি অতটা  ঘটবেনা। তবে ব্যাতিক্রম তো ব্যাতিক্রমই। কেউ যদি ইতি পুর্বে প্রপোজ করে ধরা খেয়ে থাকেন,এই টপিকটি পড়ে কষ্ট পেতে পারেন। আমি তার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। তবে আপনি হয়ত ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক হয়ে যাবেন। ভালো থাকবেন সবাই।খোদা হাফেজ।